বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ডো ডো পাখি।


ডো ডো পাখি প্রায় ষোড়শ শতাব্দীর দিকে বিলুপ্ত হয়ে যায়।এদের বসবাস ছিল ভারত মহাসাগরের মরিশাস দ্বীপে।ওলন্দাস নাবিকদের এই দ্বীপে চলাচল ছিল। গবেষকরা খোঁজে চলেছেন এই পাখির অজানা রহস্য।


কিন্তু গবেষকরা গবেষণার জন্য কোন ডো ডো পাখির অস্থিত্য বর্তমানে নেই বলে ধারনা করছেন। এই পাখির কঙ্কাল মরিশাসের জাদু ঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। ১৯৯৮ সালে ওলন্দাস অভিযাত্রী এডমিরাল উইপ্রান ভেন
মরিশাসে প্রথম এই পাখি সম্পর্কে জানতে পারেন। তিনি জানান যে, এই পাখির মাংসে বাজে একটা গন্ধ ,এবং বাজে স্বাদ, এই কারনে তিনি পাখিটির নাম দিয়েছিলেন অভুক্তিকর পাখি । তিনি বলেছিলেন কালো রঙের পাখি গুলোকে
দেখতে কবুতর ও ঘুঘু পাখির মতো। কিন্তু আকৃতি ও ওজনে নাকি অনেকটা ভিন্ন দেখতে। এই পাখি লম্বায় সাড়ে ৩ ফুট,এবং ওজনে প্রায় ২০ কেজি। এক গবেষকরা জানিয়েছেন যে,ডিম থেকে ফোঁটার পর অতি দ্রুত বড় হয়ে যায়।
কারণ এই দ্বীপে অনেক ফল মূল রয়েছে যা খেয়ে তারা দ্রুত বেড়ে উঠে। এই পাখির আচরণ কিছুটা পেটুকের মতো তাই এদেরকে পেটুক পাখি ও বলা হয়ে থাকে। এই নাম করণ অভিযাত্রীরা ই করেছিলেন।


নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত মরিশাসে অনেক ঝড় তুফান থাকে বলে তার আগেই বাচ্চারা ফোটে বের হয়ে যায় এবং খুব দ্রুত বেড়ে উঠে। দ্রুত বেড়ে উঠলেও তাদের ঠিক অপেক্ষা করতে হই অনেক দিন বংশ বৃদ্ধির জন্য।
বংশ বৃদ্ধির সময় তাদের পালক ঝরে পরে নতুন পালক উঠে।পালক ঝরার আগে তাদের পালকের রঙ থাকে ধূসর খয়েরী এবং যখন বাচ্চা জন্মের সময় তাদের পালক ঝরে তখন নতুন কালচে পালক উঠে।
ধারণা করা হতো যে, এই পাখি ছিল কিছুটা বোকা ধরণের। কারণ তারা মানুষদের কে ভয় পেতনা যার ফলে মানুষের হাতে শিকার হত। কিন্তু মানুষ এই পাখি না খেতে পারলে ও মেরে ফেলতে চাইতো।

কিন্তু আজ আর সেই পাখিকে দেখা যায়না,এই পাখি এখন বিলুপ্ত। গবেষকরা এই উড়তে না পারা ডো ডো পাখির কঙ্কাল থেকে অনেকটা ধারণা খুঁজে পান।


Like it? Share with your friends!

Your reaction?
happy happy
0
happy
angry angry
0
angry
wtf wtf
0
wtf
cute cute
0
cute

বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ডো ডো পাখি।

log in

reset password

Back to
log in